যে কয়টি ফল নিয়ে আল্লাহ্ কুরআনে উদাহরণ টেনে এনেছেন তার মাঝে জয়তুন অন্যতম। এত বেশি গুরুত্ব দেয়ার কারণ এ ফলটিতে রয়েছে মানুষের জন্য অনেক বেশি কল্যাণ।জয়তুন একটি বরকতয় ফল। কেননা, আল্লাহ তাআলা সূরা তীন এ যায়তুন এর কসম খেয়েছেন। আল্লাহর রাসূল (সাঃ) এর তেল খেতে ও মালিশ করতে বলেছেন। তিনি বলেন-“তোমরা যায়তুনের তেল খাও এবং এর দ্বারা মালিশ কর বা শরীরে মাখ। কেননা, তা বরকতময় গাছ থেকে আসে।” (তিরমিযী)কেন আল্লাহ্ এবং তার রাসূল (সাঃ) এ ফলটিকে টেনে এনেছেন তার কারণ খুঁজতে গিয়ে এর চমৎকার উপকারিতা দেখতে পেয়েছেন গবেষকরা।লিপিড প্রোফাইল টেস্টের মাধ্যমে শরীরে দুই ধরণের কোলেস্টেরলের কথা জানতে পারবেন। কিছু কোলেস্টেরল ভালো যাদেরকে এইচডিএল বলে। যেগুলো শরীরে বেশি পরিমাণে থাকা উচিৎ। কিছু থাকে খারাপ, তাদেরকে এলডিএল বলে। এর পরিমাণ বেড়ে গেলে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা বেড়ে যায়।গবেষকরা ২.৫ কোটি লোকজনের উপর গবেষণা করে দেখিয়েছেন, প্রতিদিন ২ চামচ ভার্জিন জয়তুন তেল ১ সপ্তাহ ধরে খেলে ক্ষতিকর এলডিএল (LDL) কোলেস্টেরল কমে এবং উপকারী এইচডিএল (HDL) কোলেস্টেরল বাড়ে।জয়তুনের তেলের আরেকটা গুণাবলি হল এটা পাকস্থলীর জন্য খুব ভাল। কোষ্ঠকাঠিন্য পরিষ্কার রাখায় জয়তুনের তেল অনবদ্য ভূমিকা পালন করে। জয়তুন তেল যে কোষ্ঠকাঠিন্য কমায়, তা ইবনুল কাইয়্যূম তার “The Medicine of the Prophet (sm.)” বইয়ে তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন ।যকৃৎ পরিষ্কার করে, যেটা প্রতিটি মানুষের ২/৩ দিনে একবার করে দরকার হয়। এবং শরীরের ক্ষতিকর এসিড কমায়।সাধারণত সন্তান হওয়ার পর মহিলাদের পেটে সাদা রঙের স্থায়ী দাগ পড়ে যায় । গর্ভধারণ করার পর থেকেই পেটে জয়তুন তেল মাখলে কোন জন্মদাগ পড়ে না। এটা একটা পরীক্ষিত ব্যাপার।জয়তুন তেল গায়ে মাখলে বয়সজনিত ত্বক কুঁচকানোও প্রতিরোধ হয়।স্প্যানিশ (Spanish) গবেষকরা দেখিয়েছেন, খাবারে জয়তুন তেল ব্যবহার করলে কোলন ক্যান্সার প্রতিরোধ হয়।